দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফ্রান্সের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রথমবারের মতো রাফাল যুদ্ধবিমান এবং অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে যাচ্ছে ইউক্রেন। একই সঙ্গে পশ্চিমা ক্ষেপণাস্ত্র নিজ দেশে উৎপাদনের অনুমোদনও পেয়েছে কিয়েভ।
মঙ্গলবার ইউক্রেন ও ফ্রান্স এ-সংক্রান্ত চুক্তিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন করেছে।
দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘ইউক্রেন সহায়তা ঋণ কর্মসূচি’র অর্থায়নে প্রথম ধাপে ১৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনবে ইউক্রেন। ২০২৫ সালের নভেম্বরে ঘোষিত ১০০টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনার এটিই প্রথম চালান।
চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকেই ফ্রান্সে ইউক্রেনীয় পাইলট ও কারিগরি কর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু হতে পারে। প্রশিক্ষণ শেষ হলে প্রথম চারটি যুদ্ধবিমান ইউক্রেনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এ ছাড়া ইউক্রেন চারটি অত্যাধুনিক এসএএমপি/টি-এনজি আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার পরিকল্পনা করেছে। এর মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে এই ফ্রান্স-ইতালি যৌথভাবে তৈরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহারকারী প্রথম দেশ হবে ইউক্রেন। নতুন ব্যবস্থা সরবরাহের আগে পুরোনো সংস্করণের দুটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইউক্রেনে পাঠানো হবে।
সোমবার ইউক্রেন ও কয়েকটি ইউরোপীয় মিত্র দেশ যে যৌথ আকাশ প্রতিরক্ষা উদ্যোগ ঘোষণা করেছিল, এই সিদ্ধান্ত তারই অংশ। এর লক্ষ্য তুলনামূলক কম খরচে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের সক্ষমতা গড়ে তোলা।
এদিকে ফ্রান্স ও ইতালি ইউক্রেনে লাইসেন্সের আওতায় ‘অ্যাস্টার-৩০’ প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে। পাশাপাশি ফ্রান্স ‘এএএসএম’ নির্দেশিত বোমা এবং ‘স্ক্যাল্প’ দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের স্থানীয় উৎপাদনেরও অনুমোদন দিয়েছে। এর মাধ্যমে কিয়েভের সঙ্গে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা আরও জোরদার হলো।
সম্প্রতি ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বেড়ে যাওয়ায় আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করা এবং অতিরিক্ত প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের ওপর জোর দিচ্ছে কিয়েভ।
সূত্র: রয়টার্স
/অ